আজ যা জানা দরকার

  1. গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে ৫৫ শতাংশ নিট কারখানার ক্রয়াদেশ বাতিল বা কমেছে

    দেশে তীব্র গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে ৫৫ শতাংশ নিট পোশাক কারখানার ক্রয়াদেশ বাতিল হয়েছে বা কমে গেছে বলে জানিয়েছে বিকেএমইএ। সংগঠনটির জরিপ বলছে, সংকটকালে কারখানাগুলোর ডাইংয়ে উৎপাদন কমেছে ৫১ শতাংশ এবং ৮৭ শতাংশ কারখানায় পণ্য সরবরাহে দেরি হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রায় ৬০ শতাংশ রপ্তানিকারক বিদেশি ক্রেতাদের মূল্যছাড় দিতে বাধ্য হয়েছেন।

    কেন গুরুত্বপূর্ণ: তীব্র জ্বালানি সংকটের কারণে জরিপে অংশ নেওয়া নিট কারখানার প্রায় ৫৯ শতাংশ ঋণখেলাপির ঝুঁকিতে পড়েছে এবং ৭ শতাংশ কারখানা বন্ধ হয়েছে।

    তথ্য বলছে: বিকেএমইএর জরিপে তথ্য দেওয়া কারখানাগুলোতে স্বাভাবিক চাহিদার তুলনায় গ্যাস সরবরাহে গড়ে প্রায় ৭৮ শতাংশ ঘাটতি দেখা গেছে।

    ৫ সূত্র
  2. এলএনজি সরবরাহ বাড়ায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিকের পথে

    মহেশখালীর টার্মিনালগুলো থেকে এলএনজি সরবরাহ বাড়ায় জাতীয় গ্রিডে দৈনিক গ্যাস সরবরাহ ২৬১ কোটি ঘনফুটে পৌঁছেছে। এর মধ্যে আমদানি করা এলএনজি থেকে ৯৯ কোটি এবং দেশীয় ক্ষেত্র থেকে ১৬২ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করা হচ্ছে। সরবরাহ বাড়ার পর ছয় মাস বন্ধ থাকা চিটাগাং ইউরিয়া সার কারখানা উৎপাদনে ফিরেছে এবং শিল্পাঞ্চলেও চাপ কমেছে।

    এরপর কী: গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে গানভর, আরামকো ও টোটাল এনার্জির অবশিষ্ট কার্গোগুলো আগামী ১৬ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

    তথ্য বলছে: দেশে দৈনিক গ্যাসের প্রকৃত চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট হলেও সাধারণত ২৬৫ থেকে ২৭০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়।

    ৬ সূত্র
  3. ইরান যুদ্ধে মার্কিন ঘাঁটিতে ব্যাপক ক্ষতি ও গোলাবারুদের ঘাটতি: পেন্টাগন

    ইরানের সঙ্গে চার মাসের সংঘাতে মধ্যপ্রাচ্যের আটটি দেশে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে পেন্টাগনের পরিদর্শক কার্যালয়। যৌথ প্রতিবেদনে জানানো হয়, এই সময়ে কেবল গোলাবারুদ বাবদ যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় হয়েছে ২ হাজার ২৩০ কোটি ডলার। বিপুল অস্ত্র ব্যবহারের ফলে মার্কিন বাহিনীর কৌশলগত মজুতে ঘাটতি তৈরি হয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বহু যুদ্ধবিমান ও ড্রোন।

    কেন গুরুত্বপূর্ণ: বিশেষজ্ঞদের প্রাক্কলন অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধে ফুরিয়ে যাওয়া উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ও প্রতিরোধক অস্ত্রের মজুত আগের অবস্থায় ফেরাতে প্রতিরক্ষা ঠিকাদারদের অন্তত তিন বছর লাগবে।

    তথ্য বলছে: সিএনএনের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, দীর্ঘমেয়াদি এই সংঘাতে মার্কিন সামরিক বাহিনী তাদের মজুতে থাকা থাড ইন্টারসেপ্টরের প্রায় ৮০ শতাংশ ব্যবহার করে ফেলেছে।

    ৮ সূত্র
    এই খবরের সূত্র
  4. কক্ষপথে মহাকাশ অস্ত্র মোতায়েনের কথা প্রথমবার স্বীকার করল যুক্তরাষ্ট্র

    পৃথিবীর কক্ষপথে মহাকাশ নিয়ন্ত্রণ অস্ত্র মোতায়েনের কথা প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির বিমানবাহিনীর সচিব ট্রয় মেইঙ্ক জানিয়েছেন, সম্ভাব্য শত্রুভাবাপন্ন আক্রমণ থেকে যৌথ বাহিনীকে সুরক্ষায় এসব ব্যবস্থা কাজ করবে। তবে এসব অস্ত্রের ধরন, সংখ্যা বা কক্ষপথে পাঠানোর নির্দিষ্ট সময় প্রকাশ করেনি মার্কিন প্রশাসন।

    কেন গুরুত্বপূর্ণ: বিশেষজ্ঞদের মতে, মহাকাশে স্যাটেলাইটে হামলা বা জ্যামিংয়ের প্রভাব কেবল সামরিক ক্ষেত্রে নয়, সাধারণ মানুষের যোগাযোগ ও বেসামরিক অবকাঠামোতেও মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে।

    ৯ সূত্র
    এই খবরের সূত্র
  5. সৌদি-হুতি পাল্টাপাল্টি হামলায় তীব্র সংঘাত, ইয়েমেনে বাস্তুচ্যুত সোয়া লাখ মানুষ

    সৌদি আরবের তিন শহরে হুতিদের হামলায় ১৩ জন আহত হওয়ার পর ইয়েমেনের ৫৪টি স্থানে বিমান হামলা চালিয়েছে সৌদি জোট। জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক সংস্থা জানিয়েছে, সেপ্টেম্বরের শুরু থেকে চলা এই তীব্র সংঘাতে ইয়েমেনে অন্তত ১ লাখ ২৫ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। প্রাণ বাঁচাতে বিপজ্জনক সমুদ্রপথ পাড়ি দিয়ে হাজারো পরিবার প্রতিবেশী জিবুতিতে গিয়ে আশ্রয় নিচ্ছে।

    কেন গুরুত্বপূর্ণ: চরম নিরাপত্তাহীনতা, ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক এবং যোগাযোগ বিপর্যয়ের কারণে ইয়েমেনের যুদ্ধকবলিত অঞ্চলে জরুরি মানবিক ত্রাণ পৌঁছানোর কার্যক্রম মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

    তথ্য বলছে: জাতিসংঘের তথ্যমতে, সংঘাতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত তাইজ প্রদেশ থেকেই প্রায় ৯ হাজার ২৮০টি পরিবারের ৫৬ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

    ৬ সূত্র

আরও যা ঘটছে

ব্যস — আপনি আজকের জন্য প্রস্তুত

সন্ধ্যায় আবার দেখা হবে